বাংলাদেশ, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬ ইং , ১৪ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ রাত ৪:৫৪

শিরোনাম

চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ৯৮ ব্যাচের ঈদ পূনর্মিলনী ও ২৮ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন


প্রকাশের সময় :২৭ মার্চ, ২০২৬ ৪:৫০ : অপরাহ্ণ

এম.এইচ মুরাদ :

চট্টগ্রাম পটিয়া হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ৯৮ ব্যাচের ঈদ পূনর্মিলনী ও ২৮ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকাল ৮ টায় ৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী, বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।

সকাল ৮ ঘটিকায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গন হতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী
ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয় এবং উপস্থিত অতিথিবৃন্দসহ কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন ঘোষণা করা হয়। র‌্যালী পরবর্তী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত শহীদ মিনারে বীর শহীদদের স্মরণে দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এই ঈদ পূনর্মিলনী ও বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক শাইখ মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো: হাসান মুরাদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের ৮১ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র ও পটিয়া খলিলুর রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যাপক আবু তৈয়ব, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদিউল আলম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ৯৭ ব্যাচের ছাত্র ও পটিয়া উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ এর প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটিয়া ৪নং কোলাগাও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ কাউসার আলম। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ৯৮ ব্যাচের ঈদ পূনর্মিলনী ও ২৮ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান উপ-কমিটির আহবায়ক আবদুল মাবুদ, এবং সদস্য সচিব ইমাম হোসেন, যুগ্ম-আহবায়ক মাস্টার শুক্কুর, যুগ্ম-আহবায়ক মোহাম্মদ সেলিম, যুগ্ম-সচিব ওমর ফারুক, হায়দার আলী, আবদুস শাকুর, নজরুল ইসলাম, শুক্কুর মেম্বার, মো: শাহজাহান, হিমেল বড়ুয়া, সুজন বড়ুয়া, কুলছুমা আক্তার, নবীউল ইসলাম মিন্টু, রফিক আহমেদ, মো: সাইফুদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, আবু তাহের, বখতিয়ার হোসেন প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবু তৈয়ব চৌধুরী বলেন, ‘আজকের এই চমৎকার দিনে, স্মৃতির আঙিনায় আপনাদের সাথে মিলিত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং আপ্লুত। দীর্ঘ বিরতির পর আপনারা পুরনো বন্ধুদের মুখগুলো একসাথে দেখে আমার মনে হচ্ছে আপনারা যেন আবার সেই সোনালী অতীতে ফিরে গেছেন। আজকের এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একসাথে খাওয়া-দাওয়া বা আড্ডার আয়োজন নয়, এটি একটি মেলবন্ধন। এটি স্মৃতিরোমন্থনের সুযোগ, পুরনো সম্পর্কগুলোকে নতুন করে ঝালিয়ে নেওয়ার এবং নতুন প্রজন্মের সাথে অভিজ্ঞতা শেয়ার করার একটি বড় সুযোগ। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আজকের এই দারুণ আয়োজনের ব্যবস্থা করেছেন, আয়োজক কমিটিকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি আশা করি, এই পুনর্মিলনী প্রতি বছর বা নির্দিষ্ট সময় পর পর অনুষ্ঠিত হবে, যাতে আপনাদের এই প্রীতির বন্ধন অটুট থাকে। স্মৃতির এই মিলনমেলা সফল হোক এই কামনায় করছি।’

অনুষ্টানে আগত অতিথি, প্রাক্তন ও কৃতি ছাত্রদের ক্রেস্ট দেওয়ার মাধ্যমে সম্মাননা করা হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন হতে যাত্রা করে দুপর ১২ টায় আনোয়ারা পারকি সমুদ্র সৈকতের লুসাই পিকনিক স্পটে দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠানের সূচনা হয়ে প্রীতিভোজ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও নানাবিধ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিকাল ৫টায় অনুষ্টান শেষ হয়। সবশেষে এক মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রাইফেল ড্র এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ট্যাগ :